আপনি প্রতিদিন
কী করেন,
সেটা নিয়ে একটা ‘রিয়েলিটি
টিভি শো’
বানানো হচ্ছে। আপনার বাসার
সবগুলো রুমে ক্যামেরা বসানো
হয়েছে।
আপনি ঘুম থেকে ওঠার পর
ঘুমোতে যাওয়া পর্যন্ত সবসময় আপনার
সাথে একজন ক্যামেরাম্যান আপনার
দিকে ক্যামেরা তাক করে
রেখেছে।
আপনি কী বলছেন, কী করছেন,
কী খাচ্ছেন, কী দেখছেন, সবকিছু
প্রতি মুহূর্তে রেকর্ড করা হচ্ছে।
কল্পনা করুন, যদি এরকম
কোনো ঘটনা ঘটে তাহলে আপনার
মানসিক অবস্থা কী হবে?
আপনি প্রতিটা কথা বলার
আগে চিন্তা করবেন যে, আপনার
কথাগুলো মার্জিত হচ্ছে কি না,
আপনার
হাঁটার ধরন ঠিক আছে কি না,
আপনি উল্টোপাল্টা দিকে
তাকালে সেটা আবার
রেকর্ড হয়ে গেলো কি না।
আপনি টিভিতে যেসব
হিন্দি সিরিয়াল,
বিজ্ঞাপন, মুভি দেখেন, যেসব গান
শুনেন,
ইন্টারনেটে যে সব সাইট ঘুরে
বেড়ান,
সেগুলো ক্যামেরায় রেকর্ড
হয়ে গেলে লোকজনের কাছে মান-
সন্মান
থাকবে কি না। এই
যে ক্যামেরাম্যানের
প্রতি আপনার চরম সচেতনতা, এটাই
তাক্বওয়া। আল্লাহর ﷻ
প্রতি আপনার ঠিক একই ধরনের
সচেতনতা থাকার কথা published by OVI♣
Tuesday, 28 April 2015
একটু , জেনেনিন
[ইসলামের , কথা]প্রতিটা , সময়, আল্লাহকে , স্মরনকরুন ,
নবীজী বলেছেন আল্লাহ
তাআলা ইরশাদ করেন,
“আমার বান্দা আমার
প্রসঙ্গে যেমন
ধারণা পোষন
করে আমি তদ্রুপ
ধারণা পোষণ করি।
সে যখন
আমাকে স্মরন করে তখন
আমি তার সাথেঅবস্থান
করি।
যদি সে অন্তরেঅন্তরে আমাকে স্মরন
করে,
আমিও আমার
অন্তরে অন্তরে তাকে স্মরন
করি। আর
সে যদি কোন সভায়
আমাকে স্মরন করে,
তাহলে আমি এর চেয়েও
উত্তম সভায় তাকে স্মরন
করি। আবার সে যদি আমার
দিকে অর্ধহাত অগ্রসর হয়,
আমি তার দিকে একহাত
অগ্রসর হই। আর সে একহাত
অগ্রসর হলে আমি দুই হাত
অগ্রসর হই।
সে যদি আমারদিকে হেঁটে আসে
আমি তার
দিকে দৌড়ে গমন করি।”
বুখারী ৮ -১৭১ PUBLISHED BY OVI♣
[ইসলামের , কথা]পবিত্র , কোর- আনের, সূরা, গুলোরনামের, অর্থ , জেনে, নিন। ,
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জেনে নিন পবিত্র কোর-আনের
সূরা গুলোর নামের অর্থঃ
১. আল ফাতিহা (সূচনা)
২. আল বাকারা (বকনা-বাছুর)
৩. আল ইমরান (ইমরানের পরিবার)
৪. আন নিসা (নারী)
৫. আল মায়িদাহ (খাদ্য পরিবেশিত
টেবিল)
৬. আল আনআম (গৃহপালিত পশু)
৭. আল আরাফ (উচু স্থানসমূহ)
৮. আল আনফাল (যুদ্ধে-লব্ধ ধনসম্পদ)
৯. আত তাওবাহ্ (অনুশোচনা)
১০. ইউনুস (নবী ইউনুস)
১১. হুদ (নবী হুদ)
১২. ইউসুফ (নবী ইউসুফ)
১৩. আর রা'দ (বজ্রপাত)
১৪. ইব্রাহীম (নবী ইব্রাহিম)
১৫. আল হিজর (পাথুরে পাহাড়)
১৬. আন নাহল (মৌমাছি)
১৭. বনী-ইসরাঈল (ইহুদী জাতি)
১৮. আল কাহফ (গুহা)
১৯. মারইয়াম (মারইয়াম (ঈসা নবীর মা)
২০. ত্বোয়া-হা (ত্বোয়া-হা)
২১. আল আম্বিয়া (নবীগণ)
২২. আল হাজ্জ্ব (হজ্জ)
২৩. আল মু'মিনূন (মুমিনগণ)
২৪. আন নূর (আলো)
২৫. আল ফুরকান (সত্য মিথ্যার পার্থক্য
নির্ধারণকারী গ্রম্থ)
২৬. আশ শুআরা (কবিগণ)
২৭. আন নম্ল (পিপীলিকা)
২৮. আল কাসাস (কাহিনী)
২৯. আল আনকাবূত (মাকড়শা)
৩০. আর রুম (রোমান জাতি)
৩১. লোক্মান (একজন জ্ঞানী ব্যাক্তি)
৩২. আস সেজদাহ্ (সিজদা)
৩৩. আল আহ্যাব (জোট)
৩৪. সাবা (রানী সাবা/শেবা)
৩৫. ফাতির (আদি স্রষ্টা)
৩৬. ইয়াসীন (ইয়াসীন)
৩৭. আস ছাফ্ফাত
(সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো)
৩৮. ছোয়াদ (আরবি বর্ণ)
৩৯. আয্-যুমার (দলবদ্ধ জনতা)
৪০. আল মু'মিন (বিশ্বাসী)
৪১. হা-মীম সেজদাহ্ (সুস্পষ্ট বিবরণ)
৪২. আশ্-শূরা (পরামর্শ)
৪৩. আয্-যুখরুফ (সোনাদানা)
৪৪. আদ-দোখান (ধোঁয়া)
৪৫. আল জাসিয়াহ (নতজানু)
৪৬. আল আহ্ক্বাফ (বালুর পাহাড়)
৪৭. মুহাম্মদ (নবী মুহাম্মদ)
৪৮. আল ফাত্হ (বিজয়, মক্কা বিজয়)
৪৯. আল হুজুরাত (বাসগৃহসমুহ)
৫০. ক্বাফ (ক্বাফ)
৫১. আয-যারিয়াত
(বিক্ষেপকারী বাতাস)
৫২. আত্ব তূর (পাহাড়)
৫৩. আন-নাজম (তারা)
৫৪. আল ক্বামার (চন্দ্র)
৫৫. আর রাহমান (পরম করুণাময়)
৫৬. আল ওয়াক্বিয়াহ্ (নিশ্চিত ঘটনা)
৫৭. আল হাদীদ (লোহা)
৫৮. আল মুজাদালাহ্ (অনুযোগকারিণী)
৫৯. আল হাশ্র (সমাবেশ)
৬০. আল মুম্তাহিনাহ্ (নারী,
যাকে পরীক্ষা করা হবে)
৬১. আস সাফ (সারবন্দী সৈন্যদল)
৬২. আল জুমুআহ (সম্মেলন/শুক্রবার)
৬৩. আল মুনাফিকূন (কপট বিশ্বাসীগণ)
৬৪. আত তাগাবুন (মোহ অপসারণ)
৬৫. আত ত্বালাক (তালাক)
৬৬. আত তাহ্রীম (নিষিদ্ধকরণ)
৬৭. আল মুল্ক (সার্বভৌম কতৃত্ব)
৬৮. আল ক্বলম (কলম)
৬৯. আল হাক্কাহ (নিশ্চিত সত্য)
৭০. আল মাআরিজ (উন্নয়নের সোপান)
৭১. নূহ (নবী নূহ)
৭২. আল জ্বিন (জ্বিন সম্প্রদায়)
৭৩. আল মুয্যাম্মিল (বস্ত্রাচ্ছাদনকারী)
৭৪. আল মুদ্দাস্সির (পোশাক পরিহিত)
৭৫. আল ক্বিয়ামাহ্ (পুনরু্ত্তান)
৭৬. আদ দাহ্র (মানুষ)
৭৭. আল মুরসালাত (প্রেরিত পুরুষগণ)
৭৮. আন্ নাবা (মহাসংবাদ)
৭৯. আন নাযিয়াত (প্রচেষ্টাকারী)
৮০. আবাসা (তিনি ভ্রুকুটি করলেন)
৮১. আত তাক্ভীর (অন্ধকারাচ্ছন্ন)
৮২. আল ইন্ফিতার (বিদীর্ণ করা)
৮৩. আত মুত্বাফ্ফিফীন (প্রতারণা করা)
৮৪. আল ইন্শিকাক (খন্ড-বিখন্ড করণ)
৮৫. আল বুরুজ (নক্ষত্রপুন্জ)
৮৬. আত তারিক্ব (রাতের আগন্তুক)
৮৭. আল আ'লা (সর্বোন্নত)
৮৮. আল গাশিয়াহ্ (বিহ্বলকর ঘটনা)
৮৯. আল ফাজ্র (ভোরবেলা)
৯০. আল বালাদ (নগর)
৯১. আশ শামস (সূর্য)
৯২. আল লাইল (রাত্রি)
৯৩. আদ দুহা (পূর্বান্হের সুর্যকিরণ)
৯৪. আল ইনশিরাহ (বক্ষ প্রশস্তকরণ)
৯৫. আত ত্বীন (ডুমুর)
৯৬. আল আলাক (রক্তপিন্ড)
৯৭. আল ক্বাদর (মহিমান্বিত)
৯৮. আল বাইয়্যিনাহ (সুস্পষ্ট প্রমাণ)
৯৯. আল যিল্যাল (ভূমিকম্প)
১০০. আল আদিয়াত (অভিযানকারী)
১০১. আল ক্বারিয়াহ (মহাসংকট)
১০২. আত তাকাসুর (প্রাচুর্যের
প্রতিযোগিতা)
১০৩. আল আছর (সময়)
১০৪. আল হুমাযাহ (পরনিন্দাকারী)
১০৫. আল ফীল (হাতি)
১০৬. কুরাইশ (কুরাইশ গোত্র)
১০৭. আল মাউন (সাহায্য-সহায়তা)
১০৮. আল কাওসার (প্রাচুর্য)
১০৯. আল কাফিরুন (অবিশ্বাসী
গোষ্ঠী)
১১০. আন নাসর (স্বর্গীয় সাহায্য)
১১১. আল লাহাব (জ্বলন্ত অংগার)
১১২. আল ইখলাস (একত্ব)
১১৩. আল ফালাক (নিশিভোর)
১১৪. আল-নাস (মানবজাতি)
ভাই আমার জন্য দোয়া করবেন। ভাল
লাগলে Comment করতে ভুলবেন না। PUBLISHED BY OVI♣
[ইসলামের , কথা]রসূলুল্লাহ , (, সঃ , ), এর, মূল্যবানউপদেশ।
আসসালামুআলাইকুম,
হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) এর উপদেশ সমূহ
নিচে দেওয়া হলোঃ
১। যদি পরিপূর্ণ ঈমানওয়ালা হতে চাও
তবে উত্তম চরিত্র অর্জন কর।
২। যদি সবচেয়ে বড় আলেম হতে চাও
তবে তাকওয়া অর্জন কর।
৩। যদি সবচেয়ে বেশী সম্মান
পেতে চাও তবে মানুষের নিকট হাত
পাতা বন্ধ করে দাও।
৪। যদি আল্লাহর নিকট বিশেষ সম্মান
পেতে চাও তবে অধিক
পরিমাণে আল্লাহর জিকির কর।
৫। যদি রিযিকের প্রশস্ততা চাও
তবে সর্বদা ওজুর সাথে থাকার
চেষ্টা কর ।
৬। যদি সমস্ত দোয়া কবুল হওয়ার আশা
কর
তবে অবশ্যই হারাম
থেকে বেঁচে থাকো ।
৭। যদি কেয়ামতের দিন আল্লাহর
দরবারে গুনাহমুক্ত উঠতে চাও
তবে সহবাসের পর দ্রুত পবিত্র
হয়ে নাও।
৮। যদি কেয়ামতের দিন আল্লাহর নূর
নিয়ে উঠতে চাও তবে মানুষের উপর
জুলুম করা ছেড়ে দাও।
৯। যদি আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে
চাও
তবে আল্লাহর ফরজ বিষয়াদির
প্রতি যত্নবান হও ।
১০। যদি জাহান্নামের আগুন
নেভাতে চাও তবে দুনিয়ার
বিপদাপদে সবর কর।
১১। যদি আল্লাহ তায়ালার রাগ
থেকে বাঁচতে চাও
তবে গোপনে সদকা কর,
আত্নীয়তা রক্ষা করে চলো এবং
মানুষের
উপর রাগ করা ছেড়ে দাও।
(কানুযুল আমাল, মুসনাদে আহমদ)
বিঃদ্রঃ- পোষ্টটি শেয়ার করুন সবাই
। PUBLISHED BY OVI♣
[ইসলামের , কথা]মূল্যৰান , 5টি , হাদিস,
মুল্যবান ৫ টি উপদেশ
হযরত আনাস রাঃ বলেন ,
আমাকে প্রিয়
নবী সাঃ ৫ টি বিশেষ উপদেশ
দিয়েছেন—
১। আনাস ! খুব ভাল ভাবে অজু করবে,
এতে তোমার হায়াত বাড়বে;
২।কোন মুসলিম ভাইয়ের
সাথে দেখা হলে তাঁকে সালাম
দিবে, তোমার
নেকীর ভাণ্ডার বৃদ্ধি পাবে;
৩।নিজ ঘরে ঢুকার সময় ঘরের লোকদের
সালাম দিয়ে ঢুকবে, এতে ঘরের বরকত
বৃদ্ধি পাবে;
৪ চাশতের নামাজ নিয়মিত পড়বে,
জেনে রেখ
তোমার পুরবের যারা আল্লাহের
প্রিয়
বান্দা ছিলেন তাঁদের এই অভ্যাস
টি ছিল;
৫। ছোটদের স্নেহ-মমতা এবং বড়দের
বিশেষ
ইজ্জত সন্মান করো,
এতে পরকালে তুমি আমার
সঙ্গি হতে পারবে।
(তাফসিরে ইবনে কাসির) PUBLISHED BY OVI♣
[ইসলামের , কথা]আমরা , আমাদের, বাবা-মার , জন্যকতটুকু, করেছি, বা, করতে, পেরেছি?
মেয়ের জন্মের সাথে সাথেই
একটা গাছ লাগায় আব্দুল মজিদ।
মেয়ে বড় হওয়ার সাথে সাথে সেই
গাছটিও বেড়ে উঠতে থাকে।।
মাজিদ তার মেয়ের মতই সেই গাছটির
যত্ন নেয়। নিয়মিত গাছে পানি
দেয়া,
আগাছা পরিষ্কার করা,
গাছে খুঁটি দেয়া ইত্যাদি সবকিছুই
করে সে।
মজিদ এখন যে গাছের
নিচে বসে আছে সেটি আজ
একটি বিশাল বটমূল।
ছোটথেকে মানুষের মত যত্ন করেই এই
গাছটিকে আজ সে বড় করেছে। যখনই
সময় পায় সে এই গাছের
নিচে বসে গাছের সাথে কথা বলে,
গাছের কথাও যেন সে শুনতে পায় “হয়ত
সেটা তার একান্তই ভাবনা।”
আজ আব্দুল মজিদের খুব টাকার
প্রয়োজন। বিকেল বেলা সেই গাছের
ছায়ার নিচে বসে ভাবতে লাগল,
কিভাবে টাকার জোগাড়
হবে সে বিড়বিড় করে বলতে লাগল
কোথায় থেকে পাব টাকা?
মজিদ যেন শুনতে পেল গাছ
তাকে বলছে “আমার কয়েকটা ডাল
কেটে বিক্রি করলেই তো পার।”
মজিদ সেটাই করল। গাছের
কয়েকটা ডাল কেটে বিক্রি করল।
এভাবে যেকোন প্রয়োজনে সে
গাছের
ডালপালা, ফলমূল বিক্রি করে
নিজের
বেঁচে থাকার চাহিদা মেটাত।
আজ ২৫ বছর পর মজিদের মেয়ের বিয়ে।
সে আজ খুব খুশি। গাছের
নিচে বসে একান্ত মনে সে অনেক
কথায় বলল। মেয়ের বিয়ের রান্নার
জন্য যে খড়ির প্রয়োজন তা সে গাছ
থেকেই নেয়া হল। অতঃপর ধুমধাম
করে সম্পন্ন হল মজিদের মেয়ের
বিয়ে।
মেয়ের বিয়ের পর মজিদ বড়
একা হয়ে গেল। সারাদিন
সে একা একা সেই গাছের
নিচে বসে থাকত বা কখনও মাদুর
বিছিয়ে শুয়ে পড়ত সেই গাছের
ছায়াতলে। মজিদের বয়স বাড়ার
সাথে সাথে নানা রকমের অসুখবিসুখ
বাসা বাঁধতে লাগল তার শরীরে।
মজিদ তার চিকিৎসার জন্য সেই
গাছের সবথেকে বড় ২ টা ডাল
কেটে ফেলল। ডাল কাটার পর
গাছটি দুর্বল হতে শুরু করল।
এরপর থেকে তার ঔষধ কেনার জন্য
একটা একটা করে গাছের ডাল
কাটতে লাগল। কিন্তু
সুচিকিৎসা না পাওয়ায় তার রোগ
আরও
বাড়তে লাগল। ডাক্তার বলেছেন
অপারেশন করতে হবে। অপারেশন
করতে ২০,০০০ টাকার প্রয়োজন।
কোথায় থেকে পাবে মজিদ এত
টাকা?
তার যে সহায় সম্বল কিছুই নাই। কোন
উপায় না পেয়ে মজিদ
গাছটি কেটে ফেলল এবং সেই
টাকা দিয়ে অপারেশন করাল।
অপারেশনের পরে একদিন বিকেল
বেলা সেই গাছের গুঁড়ির উপর এসে
বস্ল
মজিদ। আহ, এই
গাছটি তাকে সারাজীবন কতই
না সাহায্য করেছে, কাঠ, ফলমূল, খড়ি,
টাকা সবকিছু দিয়ে। আজ তার সেই
গাছটিই নাই। মজিদের দুচোখ
বেয়ে অঝরে বৃষ্টি ঝরতে থাকে।
কে এই গাছ জানেন?
এই গাছ হচ্ছে আমাদের “বাবা-মা”।
হ্যাঁ, জন্মের পর থেকে এই গাছের মত
করেই আমাদের বাব-
মা আমাদেরকে আদর দিয়ে,
মমতা দিয়ে, নিরাপদ আশ্রয় দিয়ে,
ভালোবাসা দিয়ে, টাকা-
পয়সা দিয়ে এই
পৃথিবীতে বাঁচিয়ে রেখেছেন।
অথচ আমরা আমাদের বাবা-মার জন্য
কতটুকু করেছি বা করতে পেরেছি?
একবার ভাবুন তো? PUBLISHED BY OVI♣
[ইসলামের কথা]মানুষকে কিভাবে আযাব দিবেন তার নির্দেশন মহান আল্লাহ্ তা'আলা পৃথিবীতেই বুঝিয়ে দিয়েছেন।
মানুষকে কিভাবে আযাব দিবেন তার
নির্দেশন মহান আল্লাহ্
তা'আলা পৃথিবীতেই বুঝিয়ে
দিয়েছেন।
রুহ কোথায় আছে আপনার?,এই
প্রশ্নের জবাবে আপনি বলবেন,বুকের
ভিতর হৃপিন্ডটাই রুহ।হা রুহ সেখানেই
থাকে।মানব দেহ সৃষ্টির
আগে সৃষ্টিকর্তা মানুষের রুহ
সৃষ্টি করেছেন।
উদাহারন স্বরূপ -
আপনি ঘুমিয়ে আছেন।
স্বপ্নে দেখলেন আপনাকে পেছন
থেকে ধারালো অস্ত্র হাতে কেউ
একজন
দৌড়াইয়া নিয়া আসতেছে,আপনি
দৌড়াইতে,দৌড়াইতে
গিয়ে পরে গেলেন ৬০০ ফুট গভীরতম
একটা কুপে।
আপনি নিচে যাচ্ছেন,নিচে
যাচ্ছেন,নিচে যাচ্ছে। হঠাৎ আপনার
ঘুম ভেংগে গেল।
আপনি তখন সাথে,সাথে বুকের ভেতর
একটা ভয়,আতংক আর কষ্ট অনুভব
করবেন।কেন হয় এমন?। আপনার
শরীর তো বিছায়নায় ঘুমিয়ে আছে।
তাহলে কেন কষ্ট বা আঘাত পেলেন।
আপনার রুহ টা তখন ৬০০ ফুট কুপের
গভীরে চলে গিয়ে ছিলো।
এটা হচ্ছে দুনিয়াবি রুহের
উপরে আযাবের নিদর্শন।
মানুষ মারা যাওয়ার পর অনেক ভাবেই
তাদের শেষ কাজ সম্পন্ন করা হয়। কেউ
আগুনে জালিয়ে দেয়,কেউ মাটির
সাথে মিশিয়ে দেয়।অনেক মৃত লাশই
পানিতে পচে,গলে যায়।আরো কত
ভাবেই লাশ চিন্নভিন্ন হয়ে যায়।লাশ
যেভাবেই থাকুক না কেন,নষ্ট
হয়ে যাক,পচে যাক বা পুড়ে যাক।
কবরের শাস্তি হবে মুলত রুহের
উপরে।
আর সব চেয়ে ভয়ংকর আযাব
হবে আখেরাতে।আখেরাতের আযাব
রুহ এবং দেহ দুটোর উপরেই হবে।
আর হা আপনি যদি পাপ থেকে বিরত
থাকেন।আল্লাহ তা'আলার সব
আদেশ নিষেধ মেনে চলেন।
তাহলে অবশ্যই আপনার রুহ কষ্টের
বদলে সুখ উপলব্ধি করবে। PUBLISHED BY OVI♣