Tuesday, 26 May 2015

hadith

যুবক//\\ যুবতী তুমি কি জান আল্লাহরর
রাসুল কি বলেছেন,,,,,,,,,,,,,,,,
✒ গোসলখানায় প্রসাব
করা যাবে না।
(ইবনে মাজাহঃ ৩০৪)
✒ কেবলামুখি বা তার
উল্টো হয়ে প্রসাব, পায়খানা করা
যাবে না। (সহিহ বুখারি ৩৯৫,

Tuesday, 28 April 2015

অন্তরের , ১০, টি, রোগ , : ,



অন্তরের ১০ টি রোগ ◕ ১ - আল্লাহর
অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন
কিন্তু তাঁর আদেশ পালন করেন না।
২ - মুখে বলেন মুহাম্মদ (সাঃ)
কে ভালবাসি কিন্তু তাঁর সুন্নতের
অনুসরণ

চলাফেরায় , উঠা, বসায় , সুন্নতি, স্মরণ, :

চলাফেরায় উঠা বসায় সুন্নতি স্মরণ :
১. কোনো কিছু আরম্ভ করার পূর্বে =
বিসমিল্লাহ
২. কোনো কিছু করার উদ্দেশ্য =
ইনশাল্লাহ
৩. কোনো বিস্ময়কর বিষয় দেখলে =
সুবহানাল্লাহ
৪. কষ্টে ও যন্ত্রণায় = ইয়া আল্লাহ
৫. প্রশংসার বহিঃপ্রকাশ =
মাশাআল্লাহ
৬. ধন্যবাদ জ্ঞাপনে = যাজাকাল্লাহ
৭. ঘুম থেকে জাগ্রত হবার পর = লা-
ইলাহা-
ইল্লাল ্লাহ
৮. শপথ নেয়ার সময় = ওয়াল্লাহি
বিল্লাহ
৯. হাঁচি দেয়ার পর = আলহামদু
লিল্লাহ
১০. অন্য কেউ হাঁচি দিলে = ইয়ার
হামুকাল্লাহ
১১. জিজ্ঞাসার জবাবে = আলহামদু
লিল্লাহ
১২. পাপের অনুশোচনায়
=আসতাগফিরুল্লাহ
১৩. পরপোকার করার সময় =
ফিসাবিলিল্লাহ
১৪. কাউকে ভালোবাসলে =
লিহুব্বিল্লাহ
১৫. বিদায়ের সময় = ফিআমানিল্লাহ
১৬. সমস্যা দেখা দিলে =
তাওয়াক্কালতু
আলাল্লাহ
১৭. অপ্রীতিকর কিছু ঘটলে =
নাওযুবিল্লাহ ১৮.
আনন্দদায়ক কিছু দেখলে =
ফাতাবারাকাল্লাহ
১৯. প্রার্থনায় অংশগ্রহণ শেষে =
আমীন
২০. মৃত্যু সংবাদ শুনলে =
ইন্নালিল্লাহি-ও য়া-
ইন্না ইলাইহি রাজিউ PUBLISHED VY OVI♣

[ইসলামের , কথা]বেখেয়ালে , কিছু, নিষিদ্ধ , কাজ, আমরা, করি, !!অথচ , জানিনা , !! , আসুন, জেনে , নেই, কাজগুলি, কি, কি?

বেখেয়ালে কিছু নিষিদ্ধ কাজ
আমরা করি !!
অথচ জানিনা !! আসুন জেনে নেই
কাজগুলি কি কি?
✒ গোসলখানায় প্রসাব করা যাবে
না।
(ইবনে মাজাহঃ ৩০৪)
✒ কেবলামুখি বা তার উল্টো হয়ে
প্রসাব,
পায়খানা করা যাবে না। (সহিহ
বুখারি ৩৯৫, নাসায়ীঃ ২১,
আত তিরমিজিঃ ৮)
✒ গুলি বা তীরের নিশানা
প্রশিহ্মণের জন্য
প্রাণী ব্যাবহার করা যাবে না।
(মুসলিমঃ ৫১৬৭,
সুনানে আবু দাউদঃ ২৮১৭, ইবনে
মাজাহঃ ৩১৭০, আত
তিরমিজিঃ ১৪০৯)
✒ ইয়াহুদি, খ্রিষ্টান ও মুশরিক
কাউকে বিয়ে করা যাবে না।
আল কোরআন (সূরা আন নিসা/নুর)
✒ স্বামী ব্যাতিত অন্য কারোর জন্য
সাজা হারাম।
আল কোরআন (আহজাবঃ ৩৩)
✒ মুর্তি কেনা, বেঁচা, পাহারা
দেওয়া হারাম।
আল কোরআন (মাইদাহঃ ৯০,
ইবরাহীমঃ ৩৫)
✒ কারো মুখমণ্ডলে আঘাত করা যাবে
না।
আল হাদিস (মুসলিমঃ ৬৮২১, আবু
দাউদঃ ৪৪৯৬,
আহমদঃ ৫৯৯১)
✒কাপড় পরিধাণ থাকা সত্তেও
কারো গোপন অঙ্গের
জায়গার
দিকে দৃষ্টিপাত করা যাবে না।
(মুসলিমঃ ৭৯৪,
তিরমিজিঃ ২৭৯৩, ইবনে মাজাহঃ
৬৬১,
আহমদঃ ১১৫০১)
✒ আল্লাহ ব্যাতিত কারো নামে কসম
করা যাবে না।
বাপ দাদার নাম, কারো হায়াত,
মসজিদ বা কোরআন এর নামে কসম করা,
মাথায়
নিয়ে সত্যতা প্রকাশ করা যাবে না।
(আবু দাউদঃ ৩২৫০, নাসায়ীঃ ৩৭৭৮)
✒ কোন প্রাণীকে আগুনে পুড়িয়ে
মারা যাবে না। আল
হাদিস (আবু দাউদঃ ২৬৭৭,
আহমদঃ ১৬০৩৪)
✒ যারা এগুলো করে তারা
জান্নাতের
গন্ধও পাবে না। (আবু দাউদঃ ৩৬৬৮,
ইবনে মাজাহঃ ২৫২)
আসুন
আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন কাছে
প্রার্থনা করি---
"হে আমার প্রতিপালক! তুমি নিজ
হতে আমাদেরকে অনুগ্রহ দান কর এবং
আমাদের জন্য
আমাদের কাজকর্ম সঠিকভাবে
পরিচালনার
ব্যবস্থা কর।
অামিন৷ PUBLISHED by OVI♣

[ইসলামের , কথা]এক , নজরে , আল , কুর্আন, পরিচিত

¤¤ এক নজরে আল কুর্আন পরিচিতি ¤¤
১. পারা সংখ্যা : ৩০ পারা।
২. সূরা সংখ্যা : ১১৪ টি।
৩. মাক্কী সূরা : ৮৬ টি।
৪. মাদানী সূরা : ২৮ টি।
৫. সবচেয়ে বড় সূরা : সূরা বাকারা
(২৮৬
আয়াত)।
৬. সবচেয়ে ছোট সূরা : সূরা কাউসার
(৩
আয়াত)।
৭. আয়াত সংখ্যা : হযরত আয়েশা (রা:)
এর
গণনায় ৬৬৬৬ টি, হযরত ওসমান (রা:) এর
গণনায়
৬২৫০ টি এবং হযরত আলী (রা:) এর
গণনায় ৬২৩৬
টি।
৮. সর্বপ্রথম অবতীর্ণ আয়াত : সূরা
আলাকের
প্রথম পাঁচ আয়াত।
৯. সর্বশেষ অবতীর্ণ আয়াত : সূরা
বাকারার
২৮১ নং আয়াত।
১০. শব্দ সংখ্যা : ৮৬৪৩০ টি।
১১. হরফ সংখ্যা : প্রসিদ্ধ মতে ৩২০২৬৭
টি,
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদের মতে ৩২২৬৭১
টি।
১২. সিজদার সংখ্যা : প্রসিদ্ধ মতে ১৪
টি আর
ইমাম শাফেয়ীর মতে ১৫ টি।
১৩. রুকূ সংখ্যা : ৫৪০ টি।
১৪. ওয়াকফ সংখ্যা : ৫৫৮ টি।
১৫. মনযিল সংখ্যা : ৭ টি।
১৬. ওয়াদার আয়াত সংখ্যা : ১০০০ টি।
১৭. ভীতিপ্রদর্শক আয়াত সংখ্যা : ১০০০
টি।
১৮. আদেশসূচক আয়াত সংখ্যা : ১০০০
টি।
১৯. নিষেধ্সূচক আয়াত সংখ্যা : ১০০০
টি।
২০. উদাহরণ সম্বলিত আয়াত সংখ্যা :
১০০০ টি।
২১. ঘটনাবলী সম্বলিত আয়াত সংখ্যা :
১০০০
টি।
২২. হালাল নির্দেশক আয়াত সংখ্যা :
২৫০ টি।
২৩. হারাম নির্দেশক আয়াত সংখ্যা :
২৫০ টি।
২৪. তাসবীহ সম্বলিত আয়াত সংখ্যা :
১০০ টি।
২৫. বিবিধ বিষয়ক আয়াত সংখ্যা : ৬৬
টি।
২৬. সর্বমোট আয়াত সংখ্যা : ৬৬৬৬ টি।
২৭. আল কুর্আন অবতরণে সময় লেগেছে :
২২ বছর
৫ মাস ১৪ দিন।
২৮. বিসমিল্লাহর্ উল্লেখ নেই : সূরা
তাওবার
প্রথমে।
২৯. বিসমিল্লাহ ২ বার উল্লেখ আছে :
সূরা আন্
নামলে।
৩০. আল কুর্আনের মুকুট বলা হয় : সূরা আর
রাহমানকে।
৩১. আল কুর্আনের কলব বলা হয় :
সূরা ইয়াসিনকে।
৩২. আল কুর্আনের জননী বলা হয় :
সূরা ফাতিহাকে।
৩৩. আল কুর্আনের প্রদীপ বলা হয় : সূরা
আল
মূলককে।
৩৪. আল কুর্আনের বন্ধু বলা হয় : আয়াতুল
কুরসীকে।
৩৫. আল কুর্আনের কেন্দ্রীয় আলোচ্য
বিষয় :
মানব জাতি।published by OVI♣

[ইসলামের , কথা]জানুন

▶যদি পরিপূর্ণ
ঈমানওয়ালা হতে চাও,
তবে উত্তম চরিত্র অর্জন
কর ।
.
▶ যদি সবচেয়ে বড় আলেম
হতে চাও,
তবে তাকওয়া অর্জন কর ।
.
▶ যদি সবচেয়ে বেশী সম্মান
পেতে চাও, তবে মানুষের নিকট
হাত পাতা বন্ধ করে দাও।
.
▶ যদি আল্লাহর নিকট বিশেষ
সম্মান পেতে চাও, তবে অধিক
পরিমাণে আল্লাহর জিকির
কর।
.
▶ যদি রিযিকের
প্রশস্ততা চাও,
তবে সর্বদা ওজুর সাথে থাকার
চেষ্টা কর।
.
▶ যদি সমস্ত দোয়া কবুল
হওয়ার আশা কর, তবে অবশ্যই
হারাম থেকে বেঁচে থাকো।
.
▶ যদি কেয়ামতের দিন
আল্লাহর দরবারে গুনাহ মুক্ত
উঠতে চাও, তবে সহবাসের পর
দ্রুত পবিত্র হয়ে নাও।
.
▶ যদি কেয়ামতের দিন
আল্লাহর নূর নিয়ে উঠতে চাও,
তবে মানুষের উপর জুলুম
করা ছেড়ে দাও।
.
▶ যদি আল্লাহর প্রিয়
বান্দা হতে চাও,
তবে আল্লাহর ফরজ
বিষয়াদির প্রতি যত্নবান হও।
.
▶ যদি জাহান্নামের আগুন
নেভাতে চাও, তবে দুনিয়ার
বিপদাপদে সবর কর।
.
▶ যদি আল্লাহ তায়ালার রাগ
থেকে বাঁচতে চাও,
তবে গোপনে সদকা কর ,
আত্নীয়তার সম্পর্ক
রক্ষা করে চলো এবং মানুষের
উপর রাগ করা ছেড়ে দাও।
(কানুযুল আমাল ,
মুসনাদে আহমদ)
.
ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকে
তৌফিক দান করুন।  PUBLISHED BY OVI♣

[ইসলামের , কথা]আল্লাহ , তা, আলর, বাণী

সূরা হুমাযাহ:1 - প্রত্যেক পশ্চাতে ও
সম্মুখে পরনিন্দাকারীর দুর্ভোগ,
সূরা আল হুজরাত:11 - মুমিনগণ, কেউ যেন
অপর কাউকে উপহাস না করে। কেননা,
সে উপহাসকারী অপেক্ষা উত্তম
হতে পারে এবং কোন নারী অপর
নারীকেও যেন উপহাস না করে।
কেননা,
সে উপহাসকারিণী অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ
হতে পারে। তোমরা একে অপরের
প্রতি দোষারোপ
করো না এবং একে অপরকে মন্দ
নামে ডেকো না। কেউ বিশ্বাস
স্থাপন
করলে তাদের মন্দ
নামে ডাকা গোনাহ।
যারা এহেন কাজ
থেকে তওবা না করে তারাই
যালেম।
সূরা আল হুজরাত:12 - মুমিনগণ,
তোমরা অনেক
ধারণা থেকে বেঁচে থাক।
নিশ্চয় কতক ধারণা গোনাহ।
এবং গোপনীয়
বিষয় সন্ধান করো না। তোমাদের
কেউ
যেন কারও পশ্চাতে নিন্দা না করে।
তোমাদের কেউ কি তারা মৃত
ভ্রাতার
মাংস ভক্ষণ করা পছন্দ করবে?
বস্তুতঃ তোমরা তো একে ঘৃণাই কর।
আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ
তওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু। PUBLISHED BY OVI♣